বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাবার পথে ভিসা জালিয়াতি বা অবৈধ উপায় অবলম্বন করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য সরকার। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন

উন্নত এক দেশে ভিসা ছাড়াই যেতে পারবে বাংলাদেশিরা, জানুন বিস্তারিত
১৬ নভেম্বর, ২০২৫
বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রতারণামূলক ভিসা কার্যক্রমের কারণে প্রতি বছর লাখ লাখ পাউন্ড ক্ষতির সম্মুখীন হন ভিসা আবেদনকারী ও অভিবাসন–প্রত্যাশীরা। এতে বলা হয়—
বিশ্বব্যাপী ভিসা জালিয়াতি এবং অবৈধ অভিবাসন সুবিধা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরাধীদের নেটওয়ার্ক সম্ভাব্য ভিসা আবেদনকারীদের প্রতারণা করার জন্য ক্রমবর্ধমান পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করছে। ভুক্তভোগীদের প্রায়শই অতিরিক্ত ফিসের বিনিময়ে ভিসা নিশ্চিতকরণ, যথাযথ যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি বা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাস্তবতা হল আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে হলো-পাচার এবং শোষণ।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক এক বার্তায় বলেন—ভিসা জালিয়াতি মানুষের স্বপ্ন নষ্ট করে এবং পরিবারকে ধ্বংস করে। অপরাধীরা উন্নত জীবনের আশা নিয়ে থাকা মানুষদের প্রতারণা করছে, তাদের অর্থ চুরি করছে এবং গুরুতর ঝুঁকিতে ফেলছে। আমাদের বার্তা স্পষ্ট শুধু সরকারি চ্যানেল ব্যবহার করুন, সমস্ত পরামর্শ যাচাই করুন এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের প্রতিবেদন করুন।
আরও পড়ুন

আবেদনের পাঁচ মিনিটেই মিলছে ফ্যামিলি ভিসা
১৮ নভেম্বর, ২০২৫
সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য সঠিক রুটের মাধ্যমে বৈধ ভিসা আবেদনগুলোকে স্বাগত জানায়। তবে যারা জালিয়াতির চেষ্টা করে তাদের গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।