Headline :
শান্তর সেঞ্চুরি, দুইশো পেরোলো বাংলাদেশ আল্লু অর্জুনের ‘রাকা’ থেকে কি বাদ পড়ছেন দীপিকা? হরমুজ থেকে ২টি জাহাজ জব্দ করল ইরান এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বিরোধী দলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুটুক্তিকারীরা দেশ ও জাতির শত্রু : বজলুর রহমান বাবলু জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অধ্যক্ষ এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশের নিয়োগে জামিয়া সিদ্দীকিয়া মাদ্রাসায় শোকরানা ও দোয়া মাহফিল অপরাধীরা ছাড়া ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে : নাহিদ প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতারআশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ শার্শা-বাগআঁচড়ায় জহুরা ফিলিং স্টেশনে যৌথ অভিযানে ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ ও দুইজনকে জরিমানা মানবজীবনের অন্তর্লোকে লেখকঃ শিরিনা আক্তার

উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে ইহুদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৬ অপরাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,

ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই ইহুদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান। একটি হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর ইরানের আদালত ওই ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা করে। আজ সোমবার ওই ইরানি ইহুদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে খালেজ টাইমস।

নরওয়েভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস গ্রুপের সূত্রে খালেজ টাইমস জানিয়েছে, মৃত্যুদণ্ডের সাজা পওয়া ওই ব্যক্তির নাম আরভিন ঘহরেমানি। তিনি ইরানের ইহুদি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একজন সদস্য।

খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কেরমানশাহেরের রাস্তায় কয়েকজন ব্যক্তি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন। সেখানে একজন ব্যক্তি খুন হন। সেই ঘটনায় হত্যার দায়ে ইহুদি নাগরিক আরভিন ঘহরেমানি দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ইরানের আদালত তাকে ফাঁসির সাজা দেয়।

ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেছেন, এমন সময় একজন ইহুদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো যখন ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা চলছে। এমনকি ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইরান এবং ইসরায়েল পরষ্পরের ভূখণ্ডে সরাসরি হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, এই সময়ে একজন ইহুদি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম আরও বলেন, এই হত্যা মামলার বিচার ছিল যথেষ্ট ত্রুটিপূর্ণ। আরভিন একজন ইহুদি ছিলেন এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ইহুদি বিরোধিতা নিঃসন্দেহে তার সাজা কার্যকর করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

শিয়া মুসলিম-অধ্যুষিত ইরানে একসময় বিশাল সংখ্যক ইহুদি সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করত। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর বেশিরভাগ ইহুদি ইরান ছেড়ে চলে গেছে। তবে এখনো ইসরায়েলের বাইরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইহুদির বসবাস ইরানেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *