ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর নতুন করে শুরু হওয়া নিরাপত্তা অভিযান শুরু হয়েছে। এতে করে কাশ্মীরি রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ হামলার খেসারত দিতে হচ্ছে রাজনৈতিক বন্দিদের।
সোমবার (০৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা (অনুচ্ছেদ ৩৭০) বাতিল করে সরাসরি দিল্লির নিয়ন্ত্রণে আনে অঞ্চলটিকে। এরপর থেকেই হাজার হাজার তরুণ-তরুণী, ছাত্র, রাজনীতিক ও বুদ্ধিজীবীদের ‘সন্ত্রাসবাদবিরোধী’ আইন যেমন ইউএপিএ (Unlawful Activities Prevention Act) ও জননিরাপত্তা আইন (Public Safety Act-PSA) এর আওতায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে। এসব আইনে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রমাণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে বিনা বিচারে জেলে রাখা সম্ভব।
২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দীর্ঘ এক দশক পর অনুষ্ঠিত হয় কাশ্মীরের আঞ্চলিক বিধানসভা নির্বাচন। সে সময় অনেক কাশ্মীরি পরিবারের মতো ৫০ বছর বয়সী মা শাকিলারও আশা ছিল, নতুন নির্বাচিত সরকার হয়তো তার একমাত্র ছেলে ফাইয্যাবকে জেল থেকে মুক্ত করবে। তবে ২২ এপ্রিল পেহেলগামে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ হামলার পর সে আশায় গুড়ে বালি পরিস্থিতি হয়েছে।