চলাফেরা-উঠাবসা, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের ভুল হয়ে যায়। অনেকে ভুল বুঝতে পারেন, আবার কেউ কেউ ভুল বুঝতে পারেন না। যিনি ভুল বুঝতে পারেন না, তাকে সুন্দর ও উত্তম পন্থায় ভুল বুঝিয়ে দেওয়া উচিত। এতে করে তিনি নিজের ভুল সহজেই বুঝতে পারবেন এবং নিজেকে সংশোধনে আগ্রহী হবেন। হাদিসে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভুল সংশোধন করে দেওয়ার বিভিন্ন পদ্ধতি তুলে ধরা হয়েছে।
এক হাদিসে হজরত মুআবিয়া ইবনে হাকাম আস-সুলামি রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে নামাজে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি হাঁচি দেয়। আমি তার উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলি। তখন উপস্থিত লোকজন আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকাতে থাকলে আমি বললাম, ধুর! তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন? তখন মানুষজন (বিস্মিত হয়ে) তাদের উরুতে চাপড়াতে শুরু করে। আমি বুঝতে পারি যে, তারা আমাকে চুপ করতে বলছে। আমি চুপ হয়ে যাই।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাজ শেষ করে আমাকে ডাকলেন। তিনি (নামাজে আমার অবাঞ্ছিত কথাবার্তার জন্য) আমাকে তিরস্কারও করলেন না এবং কটু কথাও বললেন না। আমি তার আগে ও পরে তার চেয়ে উত্তম কোনো শিক্ষক দেখিনি। তিনি শুধু বললেন, ‘আমাদের জন্য নামাজে কথা বলা সমীচীন নয়। নামাজ হলো তাসবিহ, তাকবির এবং কুরআন তেলাওয়াতের সমষ্টি। (সহিহ মুসলিম, হাদিস, ৫৩৭)