Headline :
শান্তর সেঞ্চুরি, দুইশো পেরোলো বাংলাদেশ আল্লু অর্জুনের ‘রাকা’ থেকে কি বাদ পড়ছেন দীপিকা? হরমুজ থেকে ২টি জাহাজ জব্দ করল ইরান এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে বিরোধী দলীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কুটুক্তিকারীরা দেশ ও জাতির শত্রু : বজলুর রহমান বাবলু জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে অধ্যক্ষ এ বি এম মামুনুর রশিদ পলাশের নিয়োগে জামিয়া সিদ্দীকিয়া মাদ্রাসায় শোকরানা ও দোয়া মাহফিল অপরাধীরা ছাড়া ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দেওয়া যাবে : নাহিদ প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতারআশ্বাস তথ্য মন্ত্রীর প্রশংসনীয় উদ্যোগ শার্শা-বাগআঁচড়ায় জহুরা ফিলিং স্টেশনে যৌথ অভিযানে ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ ও দুইজনকে জরিমানা মানবজীবনের অন্তর্লোকে লেখকঃ শিরিনা আক্তার

প্রধান উপদেষ্টা ডাকলে আমরা যাব, অন্য দল দিয়ে কেন : সালাহউদ্দিন

Reporter Name / ১৮৮ Time View
Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন

প্রধান উপদেষ্টা আহ্বান জানালে আলোচনায় বসতে রাজি বিএনপি। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে আলোচনার আহ্বান জানানোকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত ‘ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ৫০ বছর’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা যদি আলোচনার জন্য আহ্বান জানান, বিএনপি অবশ্যই সেখানে অংশ নেবে। কিন্তু অন্য একটি রাজনৈতিক দল দিয়ে আহ্বান জানানোর প্রয়োজন কী? তারা কারা?

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রস্তাব ও গণভোটের সময়সূচি নিয়ে দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া মতভেদ নিয়েও কথা বলেন সালাহউদ্দিন। তিনি জানান, বিএনপি মনে করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে প্রস্তাব সরকারকে দিয়েছে, তা মূল সনদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিএনপি চায় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট হোক, কিন্তু জামায়াতে ইসলামী চায় আগে গণভোট করে সনদটিকে আইনি বৈধতা দিতে। এই মতভেদ নিরসনে অন্তর্বর্তী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে এক সপ্তাহ সময় দিয়েছে ঐকমত্যে পৌঁছানোর জন্য।

এই সময়সীমা নির্ধারণকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে সালাহউদ্দিন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের এ ধরনের আলটিমেটাম দেওয়ার এখতিয়ার নেই। আমরা ভেবেছিলাম, আপনারা রেফারির ভূমিকা পালন করবেন, কিন্তু এখন তো নিজেরাই গোল দিয়ে বসেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশে তিনি বলেন, যারা একসময় এরশাদের সঙ্গে ছিলেন, এখন যদি আবার আওয়ামী লীগের হাত ধরে পুনরুত্থান চান, তার পরিণতি শুভ হবে না। এতে উৎসাহিত হবে ফ্যাসিস্ট ও অগণতান্ত্রিক শক্তি।

তিনি বলেন, আপনারা ঘি খেতে চান, খান; কিন্তু গণতন্ত্র ধ্বংসের পথে বাংলাদেশকে ঠেলে দেবেন না।

গণভোটের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করেন সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন ছাড়া আলাদা কোনো গণভোটের প্রয়োজন নেই। সেই দিনই জনগণ জানাবে তারা সংস্কার চায় কি না।

আওয়ামী লীগের ঘোষিত ১৩ নভেম্বরের ‘লকডাউন’ কর্মসূচি নিয়েও কটাক্ষ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, সেদিন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার দিন। এখন লকডাউন ডাকা মানে ফ্যাসিস্ট শক্তির পক্ষে অবস্থান নেওয়া। সাহস থাকলে রাজপথে নামুন, জনগণ আপনাদের বিচার করবে।

সভায় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম বলেন, সরকারই দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। ভারত চায় বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা বাড়ুক, আর সরকার সেটাই সুযোগ করে দিচ্ছে।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *