নতুন রাজনৈতিক জোট গঠনের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বারস্থ হলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির পক্ষ থেকে নিবন্ধনের জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে, যেখানে ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে তাদের মূল নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে।
রোববার (২২ জুন) বিকেলে নির্বাচন ভবনে এসে আবেদনপত্র জমা দেয় এনসিপি’র একটি প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন। আবেদন জমা দেওয়ার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন,
“আমরা আরপিও অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের সব শর্ত পূরণ করে নিবন্ধনের আবেদন দাখিল করেছি। আমাদের সব তথ্য, সদস্য ফরম এবং কমিটির ডকুমেন্টস কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে।”
আখতার হোসেন জানান, তারা তিনটি প্রতীক প্রস্তাব করেছেন— প্রথমে শাপলা, তারপর কলম এবং মোবাইল। তবে শাপলাই তাদের প্রধান পছন্দ।
তিনি বলেন,
“আমাদের বিশ্বাস, শাপলা প্রতীকের মধ্য দিয়েই জনগণ তাদের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে।”
দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী আরও বড় স্বপ্ন দেখালেন। তার দাবি,
“সংসদ এখন ফাঁকা। সেই সংসদে আগামী নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ৩০০টিই এনসিপি ঘরে তুলবে ইনশাআল্লাহ।”
তিনি বলেন,
“জাতীয় সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে গণঅভ্যুত্থানের সংস্কার ও জনগণের ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।”
নাসির উদ্দীনের মতে, ৫ তারিখের ‘গণঅভ্যুত্থানে’ যেভাবে জনগণের বিজয় হয়েছিল, আগামীতেও শাপলা প্রতীকের মাধ্যমে সেই ধারা অব্যাহত থাকবে।
আবেদন জমা দেওয়ার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন:
বিশ্লেষণ:
নিবন্ধনের আবেদন ও প্রতীক দাবির মাধ্যমে এনসিপি নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য শক্ত বার্তা দিতে চাচ্ছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রতীক পাওয়া বা নিবন্ধন প্রক্রিয়া এক জিনিস, আর জাতীয় সরকার গঠন— সেটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বাস্তবতার বিষয়।