১৬ জুন ২০২৫ তারিখে ইরান ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের দিকে। প্রথম ফোঁকায় তারা ব্যাপকভাবে স্বপ্রণোদিত নতুন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার ফলে ইসরায়েলের Iron Dome সিস্টেমের গল একাধিকবার ভেঙেছে। (en.irna.ir)
ইরানের লক্ষ্য ছিল টেল আবীবের কেন্দ্রীয় ‘কিরইয়া’ এলাকায় অবস্থিত আইডিএফ সদর দফতর, যাকে কখনো কখনো ‘ইসরায়েলের পেন্টাগন’ বলা হয়। ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে ঐ অঞ্চলে ব্যাপক পদার্থিক ক্ষতি হয়েছে এবং লোকাল ভিডিওতে দেখা গেছে আকাশ প্রতিরক্ষা ফোঁড়াও ব্যর্থ হয়েছে।
ইসরায়েলের ১৩ জুনের “Operation Rising Lion” অপারেশনেই ইসরায়েল ইরানের নানা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য—including নিউক্লিয়ার সাইট ও উচ্চ পদস্থ কমান্ডারদের—এর উপর বিমান হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ইরানকে পাল্টা রূপ নিতে বাধ্য করেছে।
ইরান ও তাদের মিত্ররা (যেমন–হেজবল্লাহ) পূর্বেও ধারাবাহিক হামলায় Iron Dome–এর কিছু অংশ ভাঙার দাবি করেছে। যদিও প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও বা সেন্সর ভিত্তিক রিপোর্ট মিলেছে কিছু ক্ষেত্রে—তবে এই ধরনের দাবি এখনও প্রায়ই রাজনৈতিক আক্ষেপ হিসেবেই দেখানো হয়।
| বিষয় | বিশ্লেষণ |
|---|---|
| Iron Dome–এর সক্ষমতা | এখনো মূলত কাজ করছে—বেশিরভাগ গোলা আটকাচ্ছে, তবে একাধিক আক্রমণ একযোগে এলে কিছু ফাঁকি হয়ে যাচ্ছে। |
| কিরইয়া আঘাত | এত বড়ো সামরিক আবাসিক হিট খুবই অনন্য ঘটনার প্রতিনিধিত্ব করে; এই সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধির নির্দোষ চিহ্ন। |
| অবস্থা | প্রত্যক্ষ সামরিকভাবে দনাস্ত করে দেয়া হলে শুরুতে বড় ধ্বংস হয়, তবে এখনও বড় ধরনের বিশ্বযুদ্ধ পর্যায়ে অটল নয়। তবে বিষয়টি বিশ্ব রাজনীতিতে গুরুত্ব পাবে G7 ও জাতিসংঘ পর্যায়েও। |
উপসংহার: ইরান এবং ইসরায়েলের সংঘর্ষ গত কয়েক দিনের ধারাবাহিক উত্তেজনার সবচেয়ে বড় পোড়া মুহূর্তে পৌঁছেছে—যেখানে ইরানের হামলায় Iron Dome–এর সিস্টেমে ফাঁকি দিয়ে ইসরায়েলের প্রেসিটেনশিয়াল সদর দফতরের ঠিক পাশেই আঘাত হানা হয়েছে। এটি সহজ মোড়েই শেষ হবে না—স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে, জাতিসংঘ ও G7–এর মনোযোগ কঠোরভাবে সংকটে।