Headline :
শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে : মোঃ মাসুদ হোসেন গণতন্ত্রের বদলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইসলামী সমাজের স্মারকলিপি প্রদান জগন্নাথপুরের সন্তান রুহুল কিস্ত চৌধুরী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য হঠাৎ শ্রোতা বেড়েছে মাইকেল জ্যাকসনের! সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু, এগিয়ে বিজেপি দেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন চুক্তি বাতিলের দাবি- বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও চক্রান্তমূলক দাবি কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের

Reporter Name / ৯ Time View
Update Time : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৪:১৮ পূর্বাহ্ন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সচিব স্বপন তালুকদারের বিরুদ্ধে ওঠা জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও সুপরিকল্পিত চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত সচিব। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর কামরুল হাসান মিটুর দেওয়া অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি।
সচিব স্বপন তালুকদার জানান, ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা শাহানুর মিয়ার জন্ম নিবন্ধনটি ছিল মূলত একটি সংশোধনী আবেদন। কুলঞ্জ ইউনিয়নটি একটি দুর্গম এলাকা হওয়ায় আবেদনকারী নিজেই যাতায়াত খরচ ও সময়ের কথা বিবেচনা করে সচিবকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শাহানুর মিয়া সচিবকে বলেছিলেন যে, দিরাই সদরে গিয়ে কাজ করালে তার যে যাতায়াত খরচ হতো, সেই টাকা তিনি সচিবকে গাড়ি ভাড়া বাবদ দিয়ে দেবেন এবং সচিব যেন দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন করিয়ে আনেন।
সচিবের দাবি অনুযায়ী, তিনি মানবিক কারণে এবং সেবার সুবিধার্থে নিজের প্রচেষ্টায় দিরাই থেকে নিবন্ধনটি সংশোধন ও অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার পর শাহানুর মিয়া তাকে সরকারি ফি টুকুও প্রদান করেননি। উল্টো তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক সচিবের কাছ থেকে সংশোধিত নিবন্ধন সনদটি ছিনিয়ে নিয়ে যান।
সচিব স্বপন তালুকদার আরও অভিযোগ করেন, পুরো বিষয়টি ছিল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি কৌশল। নিজের পকেটের টাকা খরচ করে কাজ করে দেওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে অনলাইনে নিউজ প্রকাশ এবং ইউএনও বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একে তার পেশাগত সততার ওপর আঘাত এবং হয়রানিমূলক আচরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে কামরুল হাসান মিটু স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে সচিবের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধনে অতিরিক্ত ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায়ের লিখিত অভিযোগ জমা দেন। তবে সচিবের দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ করা হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন যাতে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *