নিজস্ব প্রতিবেদক: সীমান্তে কথিত “পুশইন” বা জোরপূর্বক মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার ঘটনাকে ভারতের বাংলাদেশবিদ্বেষী ও আগ্রাসী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন মালয়েশিয়া প্রবাসী খোকন জমাদার।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং দুই দেশের বিদ্যমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে সীমান্ত দিয়ে মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ধরনের পদক্ষেপ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি হতে পারে।
খোকন জমাদার বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হন, তাহলে প্রচলিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া, নাগরিকত্ব যাচাই এবং উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ের মাধ্যমে তাকে ফেরত পাঠানো উচিত। একতরফাভাবে পুশইনের মতো পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক নীতি ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।”
তিনি আরও বলেন, সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা নিরীহ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলে এবং দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা নষ্ট করে। তাই বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে দৃঢ়তার সঙ্গে উত্থাপন এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় উভয় দেশের দায়িত্বশীল আচরণ, মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সীমান্তের মানুষের মধ্যে গভীর নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে দাবি করে এই নেতা বলেন, বিএসএফ এসব তৎপরতা তাদের বাংলাদেশ বিদ্বেষী আগ্রাসী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ।
খোকন জমাদার বলেন, উভয়দেশে অবস্থানরত বৈধ নাগরিকদের তাদের স্বস্ব দেশে ফেরত পাঠাবার বৈধ প্রক্রিয়া রয়েছে। আইনগত এই প্রক্রিয়া বাদ দিয়ে জবরদস্তি করে পুশ ইন করা কোনভাবেই নেবে নেওয়া যাবে না। এটা আন্তর্জাতিক আইনেরও গুরুতর লঙ্ঘন। বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাইলে অবিলম্বে ভারতের পুশইন ও সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।