Headline :
শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে : মোঃ মাসুদ হোসেন গণতন্ত্রের বদলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইসলামী সমাজের স্মারকলিপি প্রদান জগন্নাথপুরের সন্তান রুহুল কিস্ত চৌধুরী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য হঠাৎ শ্রোতা বেড়েছে মাইকেল জ্যাকসনের! সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু, এগিয়ে বিজেপি দেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন চুক্তি বাতিলের দাবি- বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত

Reporter Name / ১৭৭ Time View
Update Time : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক,

লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় চুক্তির বিষয়ে সম্মত হয়নি ইসরায়েল। দেশটির হামলায় গাজায় আরও অন্তত ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নিহত হন তারা।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনী ভয়াবহ তাণ্ডব চালিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের হামলায় ১০০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বেত লেহিয়ায় দুটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ৭৫ জন নিহত হয়েছেন।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী জানায়, গত ৫ অক্টোবর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলের স্থল ও বিমান হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

এ নিয়ে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৪ হাজার ৩৬৩ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ হাজার ৪৯২ জন শিশু রয়েছেন। এখনও অন্তত ১১ হাজারের বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে এ হামলায় এক লাখ পাঁচ হাজার ৭০ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামীদের সংগঠন হামাসের হামলায় ইসরায়েলের এক হাজার ১৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গত বছরের ৭ অক্টোবরে হামলা চালিয়ে গোষ্ঠীটি প্রায় ২৫০ জনকে জিম্মি করে। তাদের মধ্যে যুদ্ধবিরতির অধীনে বেশকিছু জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা।

উল্লেখ্য, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় এক বছর ধরে হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। দেশটির অব্যাহত এ হামলায় সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করতে অন্তত ১৫ বছর সময় লাগবে। এজন্য প্রতিদিন ১০০টি লরি ব্যবহার করতে হবে।

জাতিসংঘের হিসাবমতে, গাজায় ভবন ধসে এ পর্যন্ত ৪২ মিলিয়ন টনেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ জমা হয়েছে। এ ধ্বংসস্তূপগুলো যদি একসঙ্গে এক জায়গায় রাখা যায়, তাহলে তা মিশরের ১১টি গ্রেট পিরামিডের সমান হবে। এ ধ্বংসস্তূপ সরাতে ব্যয় হবে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি)।

ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের হিসাব অনুসারে, গাজায় ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৭টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা অঞ্চলটির মোট ভবনের অর্ধেকের বেশি। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। এ ছাড়া এক-দশমাংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এক-তৃতীয়াংশ বেশ খানিকটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ফেলার জন্য ২৫০ থেকে ৫০০ হেক্টর জমির প্রয়োজন পড়বে।

গাজাভিত্তিক জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘অবকাঠামোর যে পরিমাণ ক্ষতি করা হয়েছে, তা পাগলামির পর্যায়ে পড়ে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে একটি ভবনও নেই যেখানে ইসরায়েল হামলা চালায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৃত অর্থেই এ অঞ্চলের ভৌগোলিক চিত্র পরিবর্তিত হয়ে গেছে। যেখানে আগে পাহাড় ছিল না, এখন সেখানে পাহাড় হয়ে গেছে। দুই হাজার পাউন্ডের বোমাগুলো আক্ষরিক অর্থেই এ অঞ্চলের মানচিত্র বদলে দিয়েছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *