Headline :
শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে : মোঃ মাসুদ হোসেন গণতন্ত্রের বদলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইসলামী সমাজের স্মারকলিপি প্রদান জগন্নাথপুরের সন্তান রুহুল কিস্ত চৌধুরী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য হঠাৎ শ্রোতা বেড়েছে মাইকেল জ্যাকসনের! সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু, এগিয়ে বিজেপি দেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন চুক্তি বাতিলের দাবি- বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

‘মাফ চাই, আর হবে না’, প্লাস্টিক সার্জারি নিয়ে কেয়া পায়েল

Reporter Name / ১৪ Time View
Update Time : মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন

চেহারাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অভিনেত্রীরা প্রায়ই প্লাস্টিক সার্জারিসহ আধুনিক সব বিউটি ট্রিটমেন্টের শরণাপন্ন হন। এ প্রবণতা বাইরের দেশের অভিনেত্রীদের মধ্যে বেশি থাকলেও খুব একটা চোখে পড়ে না দেশীয় শিল্পীদের ক্ষেত্রে। তবে গত কিছুদিন ধরে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকে নিয়ে এমন আলোচনা চাউর হয়। গুঞ্জন ওঠে, সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি।

এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন কেয়া, জানালেন সত্যিটা। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়ে বিষয়টি নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, আমি এ নিয়ে এই প্রথম কথা বলছি। আমি বলব, প্রতিটি মানুষ জন্মগতভাবে সুন্দর। আমি ছোটবেলা থেকেই নিজের সৌন্দর্য সম্পর্কে প্রশংসা শুনে বড় হয়েছি। আমার কাছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, নিজের একটি বিউটি সেলুন থাকার জন্য সৌন্দর্য নিয়ে বেশি কাজ করার আগ্রহ তৈরি হয় তার। সেই আগ্রহ থেকেই চেহারায় কিছুটা পরিবর্তনের চিন্তা আসে।

কেয়া পায়েল বলেন, কখনো আমার মধ্যে এমন উদ্দেশ্য ছিল না যে, বাড়তি কিছু করে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। কেননা, আমি যেমন আছি সেভাবেই খুশি। টুকটাক দু-একটা জিনিস শুধু অ্যাড করছি। তাতেই আমার ভক্তরা এমনভাবে ক্ষেপে গেল—এটা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেননি তারা। তাদের এই অবস্থা দেখে মনে মনে বললাম- মাফ চাই, আর হবে না।

এ সময় এই অভিনেত্রী কিছুটা আক্ষেপও করেন। তার মতে, আমাদের দেশের মানুষ একটু অতি আবেগী। একজন যদি বলা শুরু করে তাহলে অন্যরা সেটি না জেনেই বলা শুরু করবে। তারা জানেই না কী হয়েছে। এমনকি আমার পাঁচ বছর আগের ছবি দেখেও কেউ কেউ এখন মন্তব্য করে। আর এই হুজুগে মানসিকতা আমাদের পুরো জাতির মধ্যেই রয়েছে।

এ অভিনয়শিল্পী বলেন, রাস্তায় কোনো কারণ ছাড়াই শুধু ভিড় দেখে মানুষ জড়ো হয়। সেখানে কী হচ্ছে, তা না জেনে মানুষ দাঁড়িয়ে যায়। এই মানসিকতা অনেক দিন ধরে প্র্যাকটিস হয়ে আসছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *