Headline :
শার্শা-বাগআঁচড়ায় জহুরা ফিলিং স্টেশনে যৌথ অভিযানে ২০০ লিটার ডিজেল জব্দ ও দুইজনকে জরিমানা মানবজীবনের অন্তর্লোকে লেখকঃ শিরিনা আক্তার নারী অধিকারলায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত ‘গণরায় বাস্তবায়ন না করে ফ্যাসিবাদী স্টাইলে দেশ চালাচ্ছে সরকার’ আইনশৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশ ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলল চীন বাংলা নববর্ষ উদযাপনে সেকালের আন্তরিকতা ও একালের আধুনিকতা -লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল আলজেরিয়া‌কে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের সন্ত্রাস দমনে সক্ষমতা বাড়াতে জার্মানির সহযোগিতা চাইল পুলিশ

সুনামগঞ্জে ব্যক্তি মালিকানাধীন হাসপাতালের ফিতা কাটলেন জেলা স্বাস্থ্য প্রধান: জনমনে আস্থার সংকট ও বৈষম্যের আশঙ্কা

Reporter Name / ১০ Time View
Update Time : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

আব্দুস সালাম সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়ায় মা ও শিশু হাসপাতাল নামক একটি বেসরকারি ক্লিনিকের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্লিনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার সিভিল সার্জন ডা. জসিম উদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকায় তার পেশাগত নিরপেক্ষতা ও নৈতিকতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
গত বুধবার ৮ এপ্রিল বিকেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জনের পাশাপাশি সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রফিকুল ইসলাম এবং শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আবুল কালামসহ আরও কয়েকজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় সূত্রমতে, উদ্বোধন হওয়া এই ক্লিনিকটির মালিকানার সঙ্গে ডা. আবুল কালাম সরাসরি যুক্ত রয়েছেন।
জেলায় সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সর্বোচ্চ পদে আসীন একজন কর্মকর্তার এমন ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অন্যান্য বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা। তাদের মতে, সিভিল সার্জন যেহেতু জেলার সব বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স প্রদান ও তদারকির দায়িত্ব পালন করেন, তাই একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনে তার প্রধান অতিথি হওয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বৈষম্যমূলক হতে পারে।
অভিযোগ উঠেছে যে, সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা ১৯৭৯ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মকর্তা তার পদমর্যাদা ব্যবহার করে কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারেন না। এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথ অনুমতির প্রয়োজনীয়তা থাকলেও সিভিল সার্জন বিষয়টি স্বাভাবিক হিসেবে দেখছেন। তার মতে, জেলা স্বাস্থ্য প্রধান হিসেবে তিনি যেকোনো প্রতিষ্ঠানে যেতে পারেন।
তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান হিসেবে এ ধরনের সরাসরি সম্পৃক্ততা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার অন্তরায়। জনমনে আস্থার সংকট দূর করতে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও স্পষ্ট ব্যাখ্যার প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। সুনামগঞ্জের স্বাস্থ্য খাতে নৈতিকতা বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *