Headline :
শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে : মোঃ মাসুদ হোসেন গণতন্ত্রের বদলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠার দাবিতে ইসলামী সমাজের স্মারকলিপি প্রদান জগন্নাথপুরের সন্তান রুহুল কিস্ত চৌধুরী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’র ৪ হাজার সদস্য হঠাৎ শ্রোতা বেড়েছে মাইকেল জ্যাকসনের! সংসদের প্রথম অধিবেশন ব্যর্থ হয়েছে : নাহিদ ইসলাম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু, এগিয়ে বিজেপি দেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোপন চুক্তি বাতিলের দাবি- বাংলাদেশ গণমুক্তি পার্টি আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

মণিপুরে শান্তি ফেরাতে জাতিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে সংলাপে নয়াদিল্লি

Reporter Name / ১৮০ Time View
Update Time : বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন

গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে সংঘাতে জর্জরিত মণিপুর রাজ্যে শান্তি ফেরাতে সেখানে বসবাসরত বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

অমিত শাহ বলেন, “সব পক্ষ যদি একটি সমঝোতায় পৌঁছায়, শুধু তাহলেই (মণিপুরে) শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনা সম্ভব। সংলাপের মাধ্যেমে আমরা সেই চেষ্টাটিই করছি এবং আশা করছি যে আমরা সফল হবো।”

মণিপুর রাজ্য সরকারে বর্তমানে রয়েছে বিজেপি। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা সংলাপে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ।

জাতিগত বৈচিত্রে ভরপুর মণিপুরে গত বছর মে মাস থেকে মেইতেই সম্প্রদায়ের হিন্দু এবং খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কুকি-চিন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। ওই মাসে রাজ্যের সংখ্যাগুরু মেইতেই জাতিগোষ্ঠীকে ‘তফসিলি’ জাতি হিসেবে ঘোষণা করে মণিপুর হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে ভারতের সংবিধান অনুসারে সরকারি চাকরি এবং ভারতের জাতীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মেইতেইদের জন্য কোটা ব্যবস্থা চালুর নির্দেশও দেন আদালত।

আদালতের এই আদেশে ক্ষুব্ধ হয় রাজ্যটির সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠী কুকি এবং সেই দিন থেকেই প্রতিবাদ শুরু হয় রাজধানী ইম্ফলসহ বিভিন্ন এলাকায়। অল্পসময়ের মধ্যেই জাতিগত সংঘাত শুরু হয় ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যটিতে।

বিগত কয়েক মাস খানিকটা থিতিয়ে এলেও সম্প্রতি ফের তীব্র রূপ নিয়েছে সংঘাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গত ১০ সেপ্টেম্বর ৫ দিনের জন্য রাজ্যজুড়ে সব ধরনের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রেখেছিল সরকার। গত ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অবশ্য ফের স্বাভাবিক হয়েছে ইন্টারনেট।

ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যটিতে গত প্রায় দেড় বছরের সহিংসতায় উভয় সম্প্রদায়ের নিহত হয়েছেন অন্তত ২২৫ জন এবং বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ৬০ হাজার মানুষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *